
বিদ্যুতের কোনো লোডশেডিং নেই, যেটা ছিল সাময়িক : বিদ্যুৎমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বিদ্যুতের কোনো লোডশেডিং নেই। লোডশেডিং যেটা ছিল সাময়িক, সেটা যান্ত্রিকর সমস্যার কারণে ছিল।
মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সেশন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, লোডশেডিং একটা সাময়িক ব্যাপার ছিল। যেহেতু এটা মেশিন, সেই সময়টাতে দুটো মেশিন নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কয়দিন আগে আমি একটা সেমিনারে বলেছিলাম সাত দিনের মধ্যে আবার লোডশেডিং শেষ হয়ে যাবে। এখন কোনো লোডশেডিং কোথাও নেই।
তিনি বলেন, যদি কোথাও বিদ্যুৎ না থাকে, তাহলে লাইনের ফল্টের জন্য বিদ্যুৎ থাকে না। কিন্তু আমাদের যে জেনারেশন আছে, সে জেনারেশন দিয়ে আমরা লোডশেডিং মুক্ত রাখতে পারছি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আমি একটা কথা বললাম এখান থেকে, গ্রামে লোডশেডিং নেই। যেটা হয় আমাদের পল্লী বিদ্যুতের লাইনগুলো অনেক লম্বা লম্বা। কোথাও যদি ফল্ট হয়ে যায়, বিদ্যুৎ ট্রিপ করলে ফল্ট লোকেট করতে টাইম লাগে। সেজন্য বিদ্যুৎটা আসে না, আবার ঠিক হয়ে গেলে বিদ্যুৎ চলে আসে।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি আগে একটা কথা বলেছি, মেশিন, যন্ত্র যদি হঠাৎ করে খারাপ হয়ে যায়, তাহলে তো আমার সিস্টেম থেকে কিছুটা পাওয়ার চলে যাবে, তখন তো আমাকে লোডশেডিং দিতে হবে।
তেলের সংকটের কারণে লোডশেডিং হবে– এরকম কোনো বিষয় আছে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেলের সংকটের কারণে কোনোদিন লোডশেডিং হয়নি। যেহেতু লোডশেডিং হয়েছিল, তখন যন্ত্রের জন্য হয়েছিল, সেগুলো আবার ফেরত আসছে, এখন ঠিক আছে। তেলের কোনো সংকট কখনোই হয়নি, এখনো হবে না, কখনোই হবে না। বিকজ আই হ্যাভ সাফিসিয়েন্ট স্টক। আমরা পারচেস করেই যাচ্ছি।
বিদ্যুতের ক্যাপাসিটি চার্জ বন্ধ হবে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আজ ওইটা নিয়ে মিটিং করেছি। একটা পুরোনো রোগ সারতে টাইম লাগে। আজ ওইটা নিয়ে বৈঠক করেছি। আমি বলতে পারি যে, এটা থেকে নিস্তার নেওয়ার জন্য একটা পথ বের করছি।