
ফাইল ছবি
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এসএসসিতে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে ব্যর্থতার এ ধারা দীর্ঘ না করে শিক্ষার্থীদের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। একটি জেনারেশন থেকে শুরু করতে হবে, যেন পরবর্তী সময়ে এই অবক্ষয় রোধ হয়। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী এবার চতুর্থ শ্রেণি থেকে কালচার, স্পোর্টস ও নৈতিকতা এবং ‘‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’’ এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা পাস করেছে তারা তো করেছেই, কিন্তু ঝরে পড়া ও ফেল করা শিক্ষার্থীদের আগে অ্যাড্রেস করতে হবে। তাদের কীভাবে রিভাইটালাইজ বা পুনরুজ্জীবিত করতে পারি, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
এসএসসি পরীক্ষার নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসএসসিতে আমরা যেটা করব, তা হচ্ছে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে যারা ফেল করবে, ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষা আবার নেব। ফেইলের এ লিগ্যাসি আমরা বছরের পর বছর টেনে নিয়ে যাব না। ১৫ দিনের মধ্যে নেয়া পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করবে তারা সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় থাকবে নাকি, থাকবে না। সেখানে না পারলে তাদের আমরা কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় নিয়ে যাব।
জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. সরদার কেরামত আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং আরডিএ বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।